Friday, 25 October 2013

Khaleda at rally venue

Khaleda at rally venue

BNP chairperson Khaleda Zia has reached Suhrawardy Udyan amid the cheers from thousands of opposition activists who gathered there to attend a key anti-government rally.
18-party opposition rally
The BNP-led 18-party opposition is holding the rally to show of its strength as it pursues the government to install a neutral polls-time government.
Braving drizzle that continues since the morning, hundreds of opposition workers — mainly of BNP, Jamaat-e-Islami, and its student wing Islami Chhatra Shibir — reached the rally venue.
Though the Dhaka Metropolitan Police (DMP), while issuing permission, slapped a condition that no processions could be brought out, opposition men, especially the Shibir men, marched the streets with processions.
BNP Dhaka city unit Convener Sadek Hossain Khoka is presiding over the rally.
The Jamaat-Shibir activists took position at the front side.
There was however no reports of law enforcers or any other quarters obstructing the opposition workers.
A huge contingent of police and members of Rapid Action Battalion (Rab) have been deployed in and around the rally venue.
With the rally scheduled to begin at 2:00pm, thousands of workers gathered at Matsya Bhaban.
“We will start marching towards Suhrawardy Udyan before the rally begins,” a BNP ward-level leader told reporters.
After a daylong drama, the opposition alliance last night decided to hold the rally at Suhrawardy Udyan in keeping with the DMP permission.
Tension ran high as the opposition announced last evening that it would organise the programme in Nayapaltan area, while the DMP said it would allow the opposition only at Suhrawardy Udyan.

সমাবেশ দিয়ে লাভ নেই, তাই কুড়িলে মাছ ধরি

সমাবেশ দিয়ে লাভ নেই, তাই কুড়িলে মাছ ধরি

সমাবেশ দিয়ে লাভ নেই, তাই কুড়িলে মাছ ধরি



ছবি : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: খালেক মিয়া থাকেন ঢাকার কড়াইল এলাকায়। পরিবারে রয়েছে স্ত্রী ও দুই সন্তান। লেখাপড়া করেননি। মাছ ধরেই পেট চালান।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার পূর্বাচল সড়কের পাশে কাঞ্চন ব্রিজের নিচে প্রতিদিন মাছ ধরেন, তবে আজ যান নি। বৃহস্পতিবার খবর পেয়েছেন কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচের ডোবায় মাছ আছে। গতকাল বিকেলে একবার এসে দেখে গেছেন। মাছ আছে জেনেই শুক্রবার বড়শি নিয়ে চলে এসেছেন। ভোর ৬টা থেকে মাছ ধরছেন। বেলা সাড়ে ৯টা নাগাদ ১০টি টাকি ও ৩টি তেলাপিয়া পেয়েছেন। তাই মন বেশ ভালো।
ক্যামেরাওয়ালা মানুষদের পছন্দ করেন না তিনি। তারপরও সালাম দেওয়ায় খুশি হয়ে কথা বললেন খালেক মিয়া। 
তার জন্ম কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। ছোটবেলায় বাড়ি থেকে ঢাকা এসেছেন। কথা বলেন ঢাকার মিশ্র আঞ্চলিক ভাষায়। দু’বার শুধু গ্রামে গেছেন। একবার যখন মা মারা যান, আরেকবার যখন মারা যান বাবা। এখন আপন বলতে নিজের স্ত্রী-সন্তান।
খালেক মোবাইল ব্যবহার করেন না। যন্ত্রটি পছন্দ না তার। কারণ হিসেবে জানালেন, এই যন্ত্রটি আসার পর সবাই বেশি কথা বলে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছেলে-মেয়েরা কথা বলে। এটা প্রয়োজনীয় যন্ত্র হলেও সমাজের জন্য অনেক খারাপ বলে তিনি মনে করেন। তবে টাকা জমা হলে একটা কেনার ইচ্ছে আছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহার করেন না কেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিল আর সমাবেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ শুনছি। প্রতিদিন চায়ের দোকানে টিভির খবরে ডিজিটালের কথাতো শুনি। কিন্তু ব্যপারটা মাথায় ঢোকে না। লজ্জায় ব্যাপারটা নিয়ে প্রশ্ন করি না। কিন্ত সব জায়গায় ডিজিটাল। এই যেমন মাছ ধরতে এসেছি ডোবায়। এখানে হাঁটু পানির ভিতরে মাছ ধরছি সেখানেও ডিজিটালের কথা।
শুক্রবার বিএনপি ও ১৮ দলের সমাবেশের কথা জানেন কিনা এ প্রশ্নের জবাবে আব্দুল খালেক বলেন, টিভির খবরে শুনছি। কিন্তু আগ্রহ নেই। কারণ রাজনীতি খারাপ। আমি ভোট দেওয়ার সময় পাই না। শুনছি আওয়ামী লীগ গদি ছাড়বে না আর বিএনপি তাদের গদিতে রাখতে চায় না। তাই নিয়েই তো এত গণ্ডগোল। সমাবেশ শুনে লাভ কি, আমরা গরিব মানুষ। সমাবেশ দিয়ে আমগো কোনো লাভ নাই।
আব্দুল খালেক আরও বলেন, সব রাজনৈতিক দলই খারাপ। কারে ভালো কবেন, কারো কথা কইতে মন চায় না। মাছ মারি, সংসার করি, পেটের চিন্তায় আমগো দিন পর হয়।
-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

দেশ অচল করার হুমকি শিবির সেক্রেটারি


দেশ অচল করার হুমকি শিবির সেক্রেটারি


নির্দলীয় সরকারের দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৮ দলের সমাবেশে বক্তব্য রেখেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জব্বার। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর তাকে এ ধরনের প্রকাশ্য সমাবেশে বক্তব্য দিতে দেখা গেলো। বক্তৃতায় শিবির সেক্রেটারি দেশ অচল করে দেয়ার হুমকি দেন।
তিনি বলেন, জামায়াত ও শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। যদি তাদের নি:শর্ত মুক্তি না দেয়া হয় তাহলে ইসলামী ছাত্রশিবির সারা বাংলাদেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে দেশ অচল করে দেবে।
তিনি আরো বলেন, সরকার একদিকে সংবিধানকে সমুন্নত রাখার কথা বলে। অপরদিকে প্রতিনিয়ত জনগণের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে চলেছে। আমরা স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, জনগণের সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং জুলুম নির্যাতন করে অতীতে কোন স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে পারেনি, আপনারাও পারবেননা।
এর আগে দুপুর সোয়া ২টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু হয়। এরপর প্রথম বক্তব্য দেন তিনি। পর্যায়ক্রমে বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং জোটের শরিক দলের নেতারা বক্তব্য দেবেন।
দেশ অচল করার হুমকি শিবির সেক্রেটারির নেতাকর্মীদের দা-কুড়াল নিয়ে প্রস্তুত থাকার ডাক দেওয়ার পর পুলিশি অভিযানের মুখে পলাতক থাকা ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন।
সভা পরিচালনা করছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক ও বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম।এর আগে শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়ে দুপুর পৌনে ২টার দিকে সমাবেশ মঞ্চ তৈরির কাজ শেষ হয়।
সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন।
এদিকে জামায়াত-শিবির যাতে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড না ঘটাতে পারে এ জন্য রাজধানীসহ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন গেটে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।
-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


AD BANNAR