Saturday, 15 March 2025

‘জিম্মি’

 

আসছে জয়ার ‘জিম্মি’
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ক্যারিয়ারের প্রথমবার নির্মাতা আশফাক নিপুণের পরিচালনায় অভিনয় করেছেন। তবে সিনেমা নয়, এটি একটি ওয়েব সিরিজ। এর নাম ‘জিম্মি’। শুধু তাই নয়, কোনো ওয়েব সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেছেন জয়া। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ২৮ মার্চ ‘জিম্মি’ আসছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইতে। ‘জিম্মি’ সিরিজ সম্পর্কে জয়া বলেন, “আমি নতুন কোনো কাজ করার আগে তিনটা বিষয় সব সময় খেয়াল করি। সেটা হলো গল্প, চরিত্র ও পরিচালক। ‘জিম্মি’র ক্ষেত্রে এগুলো মিলে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে আমার ওয়েব সিরিজের শুরুটা করছি হইচই-এর সঙ্গে। মুক্তি পাবে ঈদে। সব মিলিয়ে আমার জন্য বিষয়টা বেশ রোমাঞ্চের। আমার বিশ্বাস, দর্শকদেরও ভালো লাগবে।”
‘মহানগর’, ‘সাবরিনা’র মতো জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজের পর আবারও ‘জিম্মি’ নিয়ে দর্শকদের সামনে আসছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। নতুন সিরিজ নিয়ে তিনি বলেন, ‘জিম্মি নির্মাণের মাধ্যমে নতুন গল্প বলার চেষ্টা করেছি। এই সিরিজে সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক অনুভূতি ও বিনোদনের মেলবন্ধন রয়েছে। এটুকু বলতে পারি, দর্শক অবশ্যই নতুন কিছু উপভোগ করবে।’

ইউক্রেনের পর সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করে ভারত

২০২০-২৪ সাল নাগাদ বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ ইউক্রেন। গত চার বছর ধরে বিশ্বজুড়ে যে অস্ত্র রপ্তানি হয়েছে, তার নয় শতাংশ হয়েছে ইউক্রেনে। যুদ্ধরত দেশটিতে ২০১৫-১৯ সালের পরিসংখ্যানের তুলনায় আমদানি প্রায় শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তালিকায় দুই নম্বর অবস্থানে আছে ভারত। আর ভারতকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হল রাশিয়া।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট(সিপরি)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে মারণাস্ত্র কেনাবেচার পরিমাণ একই আছে, কেবল যারা সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনছে তাদের নামবদল হয়েছে। বিশ্বজুড়ে অস্ত্র বিক্রির এই চিত্র ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রায় একই আছে। 

২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেন সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করেছে। সম্প্রতি তারা অস্ত্র আমদানির পরিমাণ অনেকগুণ বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইউরোপের দেশগুলোতে অস্ত্র কেনার পরিমাণ বেড়েছে ১৫ শতাংশ। এটি মূলত ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের একটি প্রভাব। 



সিপরির রিপোর্ট বলছে, 'রাশিয়া আক্রমণ করতে পারে, এই ভয় থেকেই ইউরোপ বেশি করে অস্ত্র কিনছে। এর আগে যারা সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করতো সেই সৌদি আরব, ভারত, চীন ওই সময়ের মধ্যে অস্ত্র কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে।'

রিপোর্ট বলছে, ৩৫টি দেশ ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়েছে। তার মধ্যে ৪৫ শতাংশ অস্ত্র গেছে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এছাড়া জার্মানি ১২ শতাং এবং পোল্যান্ড ১১ শতাংশ অস্ত্র দিয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বে অস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এক নম্বরে। ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে তারা ১০৭টি দেশকে অস্ত্র দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪৩ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে হয়। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্সের তুলনায় তাদের অস্ত্র রপ্তানির পরিমাণ চারগুণেরও বেশি।

এছাড়া ২০১৫ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানির পরিমাণ ৬৩ শতাংশ কমে গেলেও দেশটি ২০২১ ও ২০২২ সালে চীন ও ভারতকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র দিয়েছে।  সুত্র: দ্য হিন্দু


খুনির উক্তি থেকে অনুপ্রাণিত জে ডি ভ্যান্স

 

যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিতর্কিত উক্তি শেয়ার করেছেন। উক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের লেখক করম্যাক ম্যাকার্থির উপন্যাস ‘নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান’-এর কুখ্যাত কাল্পনিক খুনি চরিত্র অ্যান্টন শিগারহরের।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) এক্সে নিজের ২৬ লাখ অনুসারীর উদ্দেশে ভ্যান্স লেখেন, ‘সফল মানুষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো তারা নিয়মিত নিজেদের অনুমানগুলো পুনর্মূল্যায়ন করেন।’

ভ্যান্স এই উক্তির মাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যারা মনে করেছিলেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প হারবেন, তাদের উচিত তাকে নিয়ে নিজেদের কিছু ধারণা পুনর্বিবেচনা করা।

এই উক্তিটি বাস্তব জীবনের জন্য কোনো জ্ঞানগর্ভ উক্তি নয়। বরং একটি কাল্পনিক হত্যাকারীর দর্শনের প্রতিফলন। যিনি নিজেকে ভাগ্যের অ্যাজেন্ট মনে করেন এবং নিজের খুনের কর্মকাণ্ডকে নিয়তির সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখেন।

‘নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান’ উপন্যাসে অ্যান্টন শিগারহ এই লাইনটি ঠিক তখনই বলেন, যখন তিনি আরেক চরিত্রকে খুন করতে যাচ্ছেন। 

এখানে তিনি বিশ্বাস করেন, যারা তার পথে আসে তারা নিজ দায়িত্বে নিজেদের মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে।

২০১৩ সালে জার্নাল অব ফরেনসিক সায়েন্সে প্রকাশিত একটি গবেষণায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ স্যামুয়েল জে. লেস্টেডট এবং পল লিংকোস্কি শিগারহকে চলচ্চিত্রে অন্যতম বাস্তবসম্মত সাইকোপ্যাথ খুনি হিসেবে চিহ্নিত করেন। 

তাদের মতে, শিগারহ একজন সাইকোপ্যাথ। যার মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি প্রেম ও অনুশোচনার ক্ষমতা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত। তার মধ্যে সহানুভূতির অভাব রয়েছে এবং তিনি ঠান্ডা মাথায় অন্যদের ক্ষতি করেন।

জে ডি ভ্যান্সের এই উক্তি পোস্ট করা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে। 

তাদের মতে, হয়তো তিনি এই উক্তির মাধ্যমে বারবার নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের প্রতিফলন করেছেন। যেখানে তিনি এক সময় ট্রাম্পের কঠোর সমালোচক ছিলেন। 

কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, হয়তো ভ্যান্স এটি ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানি দিতে ব্যবহার করেছেন। যেন গণমাধ্যম তার এই বক্তব্য নিয়ে সরব হয়।

আবার কেউ কেউ মনে করছেন, ভ্যান্স হয়তো শিগারহকে নায়কের দৃষ্টিতে দেখেছেন। অথবা এটি ট্রাম্পের সঙ্গে নিজেকে সংহত করার একটি উপায়ও হতে পারে। যেখানে গত মে মাসে ট্রাম্প একটি সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত উপন্যাসিক থমাস হ্যারিসের সৃষ্টি ‘হ্যানিবল লেক্টরের’ মতো ভয়ংকর কাল্পনিক চরিত্রের প্রশংসা করেছেন। 

এ সমাবেশে ট্রাম্প লেক্টরকে একজন দুর্দান্ত মানুষ বলে উল্লেখ করেন। 

যদিও মনোবিদদের মতে, লেক্টর অবাস্তব তবে রোমাঞ্চকর চরিত্রের উদাহরণ।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট এবং সমালোচনার ব্যাপারে ভ্যান্সের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: দ্য হাফিংটন পোস্ট

AD BANNAR