Thursday, 6 February 2020

খাজা নাজিমুদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা ও আইয়ুব খানের এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি !!!

বঙ্গবন্ধুকে ডিগ্রি দেওয়ার আগে তিন ‘কুখ্যাত’ পাকিস্তানি শাসকের ডিগ্রি প্রত্যাহার দাবিতে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ হাওলাদার

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধুকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। বঙ্গবন্ধুকে এই ডিগ্রি দেওয়ার আগে পাকিস্তান আমলের তিন শাসক খাজা নাজিমুদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা ও আইয়ুব খানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এই দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘বিতর্কিত ব্যক্তিদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-প্রদত্ত সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রত্যাহার আন্দোলন পরিষদ’–এর ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দাবির পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ না দেখলে ২৩ ফেব্রুয়ারি একই স্থানে আবারও অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা৷
অবস্থান কর্মসূচিতে পরিষদের আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাখাওয়াৎ আনসারী বলেন, ‘আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধুকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের দাবি হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুকে সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়ার আগে তিন কুখ্যাত পাকিস্তানি শাসক খাজা নাজিমুদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা ও মুহাম্মদ আইয়ুব খানকে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া ডিগ্রি প্রত্যাহার করতে হবে।’ দাবির পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ইতিবাচক কোনো উদ্যোগ না দেখা গেলে ২৩ ফেব্রুয়ারি একই স্থানে আবারও অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন এই শিক্ষক।
অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের চেয়ারপারসন নমিতা মণ্ডল, একই বিভাগের অধ্যাপক দুলাল কান্তি ভৌমিক, সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রমথ মিস্ত্রী এবং ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান অংশ নেন।
অধ্যাপক সাখাওয়াৎ আনসারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও অন্যতম প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি এ পর্যন্ত মোট ৫২ জনকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে। যাঁদের ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা রাষ্ট্র ও সমাজে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। কিন্তু পাকিস্তান আমলের নয়জনের মধ্যে তিনজনকে ডিগ্রি দেওয়া নিয়ে আমরা প্রশ্ন উত্থাপন করছি। তাঁরা হলেন পাকিস্তানের ভূতপূর্ব গভর্নর জেনারেল খাজা নাজিমুদ্দিন, ভূতপূর্ব রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দর মির্জা ও ভূতপূর্ব রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান। ভাষা আন্দোলনের ১৯৪৮ ও ১৯৫২—দুই পর্বেই খাজা নাজিমুদ্দিনের ভূমিকা ছিল বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে। ইস্কান্দর মির্জা ছিলেন অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবিরোধী। আইয়ুব খান ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও ক্ষমতালিপ্সু। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুসহ অনেকের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগে মিথ্যা ষড়যন্ত্র মামলা করেন। এই কুখ্যাত ব্যক্তিদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া ডিগ্রি বাতিল না করে বঙ্গবন্ধুকে ডিগ্রি দেওয়ার বিষয়টি যথাযথ হবে না।

২১২ করলেই বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

২১২ করলেই বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

টাইগার বোলাররা বড় স্কোর গড়তে দেয়নি নিউজিল্যান্ডকে -ছবি: আইসিসি
খুব বেশিদূর বাড়তে পারেনি নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বোলাররা তাদের আটকে দিয়েছে ২১১ রানে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২১২ রান। ফর্ম, ম্যাচ পরিস্থিতি এবং পেছনের পরিসংখ্যান-সবকিছুই এখন এই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়েই কথা বলছে।

প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণের খুব কাছে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। রানের হিসেবে সংখ্যাটা ২১২।

পচেফস্ট্রুমে সেমিফাইনালের এই লড়াইয়ে টস জিতে বাংলাদেশ বোলিং বেছে নেয়। মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দলের বোলাররা দারুণ দক্ষতা দেখিয়ে অধিনায়কের এই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন।

ম্যাচের প্রথম ওভার থেকেই বাংলাদেশ আঁটোসাঁটো বোলিং করে। পেসার শরিফুল ইসলাম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপুটে বোলিং করেন। শুরুর ৬ ওভারে দুই মেডেনসহ শরিফুলের খরচা হয় মাত্র ১১ রান। নিজের তৃতীয় স্পেলে তিন উইকেট তুলে নেন শরিফুল। কিন্তু শেষ ওভারটা একটু বেশি খরুচে হয়ে যায় তার। দুটি বাই রানসহ সেই ওভারে শরিফুলের ব্যয় হয় ১৮ রান।
 
১০ ওভারে তার বোলিংয়ের ৪৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সেমিফাইনালে শরিফুলই বাংলাদেশের সেরা বোলার। দলের স্পিনাররা ভালো বোলিং করেন। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সেরা বোলার স্পিনার রকিবুল এই ম্যাচে ১০ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৩৫ রানে শিকার করেন ১ উইকেট। অফস্পিনার শামীম ৩১ রানে পান ২টি উইকেট। হাসান মুরাদ তার কার্যকরী স্পিনে ১০ ওভারে ৩৪ রানে তুলে নেন ২টি উইকেট।

৭৪ রানে ৪ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ডকে বড় বিপদ থেকে টেনে তুলে লিন্ডস্টোন ও স্যান্ডের ব্যাটিং। এই দুজনে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন। লিন্ডস্টোনকে ৪৪ রানে বিদায় করেন শরিফুল তার তৃতীয় স্পেলের বোলিংয়ে। ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা কুইন স্যান্ডের ৮৩ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের হাফসেঞ্চুরির ইনিংস নিউজিল্যান্ডের স্কোরকে দুশোর ওপরে নিয়ে যায়।

শেষ ১০ ওভারে নিউজিল্যান্ড একটু হাত চালিয়ে খেলে। এই সময় তারা হারায় ৩ উইকেট কিন্তু যোগ করে ৭২ রান।

মাত্র ১২০! বাড়ির মালিক এনু–রুপন

রুপন ভূঁইয়া ও এনামুল হক এনু
১০ বছর আগেও এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার সম্পদ বলতে ছিল ২৯ বানিয়ানগরে লোহালক্কড় বিক্রির একটি দোকান। তাঁরা থাকতেন দোকানের পেছনে একটি টিনশেড বাড়িতে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে র‍্যাবের কাছে দুই ভাইয়ের মালিকানায় ১৫টি বাড়ির তথ্য ছিল, গ্রেপ্তারের পর সিআইডি জানায়, বাড়ির সংখ্যা ২২। আর রিমান্ড শেষে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ১২০টি বাড়ির তথ্য দিয়েছে।
এনামুল হক ও রুপন ভূঁইয়া ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের অংশীদার। ক্লাবপাড়ায় প্রথমে ওয়ান–টেন ও পরে ক্যাসিনো চালুর পেছনে এই দুই ভাইয়ের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। অভিযোগ আছে, টাকা ঢেলে আওয়ামী লীগের পদ বাগিয়েছিলেন তাঁরা। এনামুল হক ছিলেন থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আর রুপন ভূঁইয়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর গা ঢাকা দেন। পালিয়ে নেপালে যাওয়ার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে এনেছিলেন। ধরা পড়ে যান হঠাৎ।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় গত ১৩ জানুয়ারি চার দিনের রিমান্ডে আনে এনু–রুপনকে। জিজ্ঞাসাবাদে এনু–রুপন বলেন, ঢাকায় তাঁদের যৌথ মালিকানাধীন শতাধিক ফ্ল্যাট এবং ঢাকা ও ঢাকার বাইরে পাঁচ বিঘা জমি আছে। এই সম্পদ তাঁর মা, সাত ভাই ও এক বোনের নামে। পুলিশ জানাচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদে এনু–রুপন জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের বাবার সঙ্গে আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবে জুয়ার আসরে গিয়ে বসতেন। সদরঘাটে তাঁদের জুয়ার বোর্ডও ছিল। অঢেল সম্পদের মালিক হন ক্যাসিনোর কারবার থেকে। তবে ট্যাক্স ফাইলে এখনো সম্পদ বলতে সেই পুরোনো এনু–রুপন স্টিল মিলস নামের লোহালক্কড়ের ব্যবসা থেকে অর্জিত আয়কেই দেখিয়ে যাচ্ছিলেন।যা কিছু সম্পদ তার মালিক
 এনু, রুপন, রশিদুল, দুলু, আমিনুল, শিপলু, তাঁদের মা মমতাজ বেগম ও বোন চম্পা এবং মৃত এক ভাইয়ের সন্তানেরা। বানিয়ানগরের কারখানার পেছনে ৩১ বানিয়ানগরে এনু–রুপনের ছয়টি ফ্ল্যাট আছে। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করে বাড়ির কাউকে পাওয়া যায়নি। এই ভবনের দোতলায় এনু ও পঞ্চম তলায় রুপন থাকতেন। এনুর ফ্ল্যাটে থাকা দুটি ভল্ট ও পঞ্চম তলায় রুপনের ফ্ল্যাটে থাকা একটি ভল্ট থেকে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব ১ কোটি ৫ লাখ টাকা, প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের আট কেজি স্বর্ণালংকার ও পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল। তাঁদের একজন প্রতিবেশী নাম না প্রকাশ করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ওই এলাকায় এনু–রুপনদের ফ্ল্যাটের আকৃতির ফ্ল্যাটের দাম ৪০ লাখ টাকার মতো।
সম্পদ আছে ১২০টি ফ্ল্যাট ও ১৫টি বাড়ি
ক্যাসিনো কারবারে সম্পৃক্ততার দায়ে গ্রেপ্তার দুই ভাই কারাগারে
জুয়ার টাকায় অঢেল সম্পদ

এনামুল–রুপনদের বিলাসবহুল বাড়ির ফটক। পুরান ঢাকার নারিন্দায়।  ফাইল ছবিএনামুল–রুপনদের বিলাসবহুল বাড়ির ফটক। পুরান ঢাকার নারিন্দায়। ফাইল ছবি
কাছেই লালমোহন সাহা স্ট্রিটে ছয়টি ভবন ও বাড়ি থাকার কথা জানিয়েছেন এনু–রুপন। এই বাড়িগুলো খুঁজতে যে গলিপথ ধরে এগোতে হয়, তার প্রস্থ বড়জোর ৬ ফুট। এনু–রুপন জিজ্ঞাসাবাদে সাতটি হোল্ডিং নম্বরে তাঁরা ৫টি ফ্ল্যাট, ১০ তলা ভবনের ১০টি ফ্ল্যাট, এক কাঠার প্লট, ছয়তলা তিনটি ভবনের ১২টি ফ্ল্যাট ও একটি এক কাঠা প্লটের কথা জানান। বহুতল ভবন দুটির নামই মমতাজ ভিলা। ১২০ হোল্ডিং নম্বরে এক সারিতে বেশ কয়েকটি ভবন। এমন একটি ভবনের বাসিন্দা সায়েরা খাতুন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পাশের ভাঙা বাড়িটার মালিক এনু–রুপনরা। লালমোহন সাহা স্ট্রিট ছাড়াও এনু–রুপন দক্ষিণ মৈসুন্দিতে সাততলা একটি ভবনে ১৪টি ফ্ল্যাট, গেন্ডারিয়ার শাহ সাহেব লেনে ১০ তলা ভবনের ১৭টি ফ্ল্যাট, ৬ তলা ভবনের ৪টি ফ্ল্যাট ও ৪ তলা একটি ভবনের ১৩টি ফ্ল্যাটের কথা বলেছেন। তা ছাড়া, যৌথ মালিকানায় তাঁদের পরিবারের নারিন্দায় পৃথক দুটি ভবনে ১৬ টি, নারিন্দাতেই ছয়তলা ভবনের পঞ্চম তলায় দুটি, তৃতীয় তলায় একটি ও নিচতলায় একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন এনু। তাঁদের গুরুদাস সরদার লেনে নির্মাণাধীন ছয়তলা ভবনের ১২টি ফ্ল্যাট ডিস্টিলারি রোডে একতলা টিনশেড বাড়ি রয়েছে। ঢাকার কাছে কেরানীগঞ্জে ১৫ কাঠা জমির ওপর একতলা একটি বাড়িও রয়েছে তাঁদের।

এর বাইরে এনু–রুপন ও তাঁর ভাইদের মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ১০ কাঠার খালি প্লট, শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ১২ শতাংশ, পালং থানায় ৩৪ শতাংশ জমি আছে। স্বর্ণ ও বাড়িঘর ছাড়াও এনু–রুপনের জিম্মায় ৭০০ ভরি স্বর্ণ, ৯১টি ব্যাংক হিসাবে ১৯ কোটি টাকা ও পাঁচটি যানবাহন রয়েছে বলে জানান সিআইডি কর্মকর্তারা।

সিআইডির বিশেষ সুপার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুই ভাইয়ের কেউই দশম শ্রেণির গণ্ডি পেরোননি। নেপালের ‘হ্যারি’ (হরি) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ক্যাসিনোর কারবার চালাতেন। গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত নেপালে যোগাযোগ ছিল। ভুয়া পাসপোর্ট নিয়ে নেপালে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন।

AD BANNAR