Tuesday, 10 March 2015

রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা চালাবেন না হ্যাপি

কালের কণ্ঠ অনলাইন

অ-অ+
জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেনের জামিন বাতিলে চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপীর পক্ষের আইনজীবী মামলা পরিচালনা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সোমবার রাতে নিজের ফেসবুকে এই ঘোষণা দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কুমার দেবুল দে। নিজের ফেসবুক ওয়ালে এই আইনজীবী জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, একজন পেশাজীবী হিসেবে হ্যাপীর পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিলাম। বাংলাদেশের এহেন সফলতায় রুবেলের বিপক্ষে মামলায় লড়ার আমার আর ইচ্ছে নেই। তাই হ্যাপীর আইনজীবী হিসেবে এখনই নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিলাম।
তিনি লিখেছেন, ভবিষ্যতে অত্র মামলাটি পরিচালনা করার জন্য হ্যাপীর পক্ষে অন্য কোনো আইনজীবী নিয়োগ করা হলে আমার কোনো আপত্তি নেই। আর এখন থেকে আমি আর হ্যাপীর আইনজীবী নই। শুভেচ্ছা বাংলাদেশ ক্রিকেট দল!!!! ধন্যবাদান্তে-  কুমার দেবুল দে, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। হঠাৎ আইনজীবী নাম প্রত্যাহার করে নেওয়াতে মামলা পরিচালনায় চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপীকে নতুন সমস্যার মুখোমুখি হতে হলো।
এদিকে একটি প্রাইভেট টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে নাজনীন আক্তার হ্যাপী বলেন, যদি মামলা তুলে নেওয়ার সুযোগ থাকত, তবে তিনি মামলা তুলে নিতেন। কিন্তু সেই সুযোগ না থাকায় এখন থেকে আর মামলায় স্বাক্ষ্য-প্রমাণ দাঁড় করাবেন না। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, রুবেলকে আমি খুব ভালোবাসি। ওর সঙ্গে মামলা করে শত্রুতা করতে চাইনি। শুধু ভালোবাসার অধিকার ফিরে পেতে চেয়েছি। তিনি আরও বলেন, শুধু রুবেলকে দেখার জন্য তিনি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দুটি ম্যাচ দেখেছেন। হ্যাপীর বিশ্বাস, রুবেল যদি তাকে কোনোদিন সত্যি ভালোবেসে থাকেন, তাহলে একদিন না একদিন আবার তার কাছে ফিরে আসবেন।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলা দেখার পর হ্যাপি বলেছিলেন, সাধারণত আমি ক্রিকেট খেলা দেখি না। আজ শুধু রুবেলকে দেখার জন্যই এই ম্যাচটি দেখেছি। আর সব বাংলাদেশির মতো আমিও চেয়েছিলাম বাংলাদেশ জিতুক। তারপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটিও দেখেন হ্যাপি। ওই ম্যাচে একমাত্র বাংলাদেশি বোলার হিসেবে একমাত্র উইকেটের শিকারি ছিলেন রুবেল।

Monday, 9 March 2015

মালদ্বীপ মাতাতে প্রস্তুত সাবিনা

 স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাঁ থেকে দ্বিতীয় সাবিনা খাতুন ছবি: সংগৃহীত
বাঁ থেকে দ্বিতীয় সাবিনা খাতুন ছবি: সংগৃহীত
Decrease font Enlarge font
ঢাকা: ইতিহাস গড়ে প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে মালদ্বীপের মাটিতে পা রেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সহ-অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। মালদ্বীপের পুলিশ ক্লাবের হয়ে ক্লাব মালদ্বীপস উইমেন্স ফুটসাল ফিয়েস্তা নামের একটি আসরে অংশ নিতে বর্তমানে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে অবস্থান করছেন তিনি।

গত ৪ মার্চ মঙ্গলবার মালদ্বীপের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন সাবিনা। বুধবার পৌঁছেই একদিন বিশ্রাম নিয়ে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন। সবার নজর এখন বাংলাদেশী এ তরুনীর দিকেই। কারণ, মালদ্বীপ পুলিশ ক্লাবে তিনিই একমাত্র বিদেশি খেলোয়াড়। 

গত নভেম্বরে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের কাছে ৩-১ গোলে পরাজিত হয় মালদ্বীপ। ম্যাচে দু’টি গোল করেছিলেন সাবিনা। আর সে ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ পুলিশ ক্লাবের এক কর্তা। সাবিনার খেলা দেখে তাদের পছন্দ হয়। পরে বাফুফের মাধ্যমে তাদের নিজেদের দলে ভিড়িয়ে নেয়।

উল্লেখ্য, ৪০ বছর আগে এমন এক ইতিহাস গড়েছিলেন বর্তমান বাফুফে প্রেসিডেন্ট ও তারকা ফুটবলার কাজী মো: সালাউদ্দিন। ১৯৭৫ সালে তিনি প্রথম বাংলাদেশী ফুটবলার হিসেবে খেলেছিলেন হংকংয়ের পেশাদার লিগে এফসি ক্যারোলিনের হয়ে। তখন কাজী সালাউদ্দিন ঢাকার ফুটবলে ঢাকা আবাহনীর হয়ে খেলতেন। আর সাবিনা খাতুন খেলছেন ঢাকা মোহামেডানের হয়ে।

সাবিনার ক্লাবটি বর্তমান রানার্সআপ মালদ্বীপস উইমেন্স ফুটসাল ফিয়েস্তা টুর্নামেন্টের। তাই এবার অনেক বেশী দ্বায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে সাবিনাদের। আর দেশ ছাড়ার আগে সাবিনা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন ‘আমি মালদ্বীপে গিয়ে প্রমাণ করব বাংলাদেশের মেয়েরা সত্যিই ভাল ফুটবল খেলতে পারে। আর আমি যদি ভালো খেলতে পারি তাহলে দেশের অন্য মেয়েরাও ভবিষ্যতে বিদেশী ক্লাবগুলোতে খেলার সুযোগ পাবে।’

এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। যেখানে অংশ নেবে মোট ১৪ টি দল। সাবিনা পুলিশ ক্লাবের হয়ে মাঠে নামবে ১৭ মার্চ। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ এমইই ক্লাব।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০৬ ঘন্টা, মার্চ ০৯, ২০১৫

‘ফেসবুক স্ট্যাটাসে তো কারও নাম লিখিনি’ মম’র সঙ্গে শিহাব শাহীনের প্রেম



২০১৫ মার্চ ০৯ ১৩:০২:১৭
দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মমর সঙ্গে নির্মাতা শিহাব শাহীনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছেএমন একটি খবর দীর্ঘদিন ধরেই শোবিজ অঙ্গনে আলোচিত হচ্ছিলরবিবার মমর দেওয়া একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে ঘিরে সেই আলোচনাটি আবারও সামনে চলে এলো

৮ মার্চ, নারী দিবসে মম লিখেন— “আমি জানতাম না আপনাকে, আজ ৩ বছর পর জানলাম আপনাকেআর সাথে এ-ও জানলাম যে আপনি এমন ই’…ভুল ছিলাম আমি, ভুল ছিল আপনার জন্য আমার ভালবাসা, কারণ নিখাদ আবেগকে আপনি ভুল ব্যাখ্যা করেছেনভাল থাকুনআমি একা আছি আর একাই ভাল থাকব
মমর এই স্ট্যাটাস নিয়ে দেশের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর স্ট্যাটাসটি ডিলেট করে দেওয়া হয়তবে স্ট্যাটাসটির স্ক্রিন শটে এর সত্যতা পাওয়া যায়
এ বিষয়ে দ্য রিপোর্ট কথা বলে মমর সঙ্গেএ সময় প্রেমের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান এ অভিনেত্রীমম বলেন, ‘এটা একান্ত আমার ব্যক্তিগত বিষয়আর ফেসবুক স্ট্যাটাসে আমি তো কারও নাম লিখিনিতাহলে শিহাব শাহীনের সঙ্গে আমার প্রেম ছিলএ বিষয়টি আসছে কেন?’
এদিকে শিহাব শাহীনের সঙ্গে মমর প্রেমের গুঞ্জন দীর্ঘদিনের২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন লাক্স সুন্দরী জাকিয়া বারী মমমধ্যরাতে শিহাব শাহীনই মমকে হাসপাতালে ভর্তি করেন হাসপাতালের নিবন্ধন বইয়ে শিহাব শাহীনের নাম দেখার পর আলোচনায় আসে মম সঙ্গে নির্মাতা শিহাব শাহীনের প্রেমের বিষয়টি
যদিও মম ও শিহাব শাহীন দুজনেই এ বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেনএ ঘটনার দেড় বছর পর আবারও পুনরায় আলোচনায় মম-শিহাব শাহীন প্রেমকাহিনীএবারও অস্বীকার করলেন মম
মমর দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে নির্মাতা শিহাব শাহীন দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘আমি আসলে জানি না মম ফেসবুকে কী লিখেছেনআমি তো মম ফেসবুকে এমন কোনো স্ট্যাটাস দেখিনিআমি বিষয়টি জেনে তারপর কথা বলছি
পরবর্তীতে শিহাব শাহীনকে ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়প্রসঙ্গত শিহাব শাহীন নির্মিত ছুঁয়ে দিলে মনচলচ্চিত্রে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মমছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে
চ্যানেল আই লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারকাখ্যাতি পান অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মমতিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন
২০১০ সালে নির্মাতা এজাজ মুন্নার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মম২০১১ সালের ২ মার্চ তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়মম-এজাজ মুন্না দম্পতির সন্তানের নাম আরিজ উদ্ভাস
তবে গুঞ্জন রয়েছে মম ও এজাজ মুন্না বর্তমানে আলাদা থাকছেন

AD BANNAR