Wednesday, 23 October 2013

Bangladesh Police Sub-Inspector 2012 Result SI Result (22-10-2013)


Bangladesh Police Sub-Inspector 2012 Result


SI Result -2012
এসআই (নিরস্ত্র)এর ১৫২০টিন শূন্য পদের বিপরীতে ২০১২ সালের বহিরাগত ক ক্যাডেট এসআই (নির̄স্ত্র)-পুরুষ/মহিলা হিসেবে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত
১৫২০ জন প্রার্থীর নামের তালিকা
Click For Result

Tuesday, 22 October 2013

সংলাপের দরজা খুলে গেছে বললেন মজীনা

সংলাপের দরজা খুলে গেছে বললেন মজীনা



সংলাপের দরজা খুলে গেছে বললেন মজীনা

ঢাকা: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে প্রধান দুই দলের অনড় অবস্থানের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পর সংলাপের দরজা খুলে গেছে বলে মনে করছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।    
মজীনা বলেন, ‘গত তিন দিনের ডেভেলপমেন্টে আমি খুবই আশাবাদী যে, সংলাপের দরজা খুলে গেছে।’
১৮ অক্টোবর জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন। বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বতীকালীন সরকারের রূপরেখা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের বিষয়টি তুলে ধরে মজীনা বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে সংলাপের দরজা খুলে গেছে।’
মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেন। চিঠি পেয়ে তাকে ফোন করেন সৈয়দ আশরাফ।
মজীনা বলেন, ‘আজকের ফোনালাপের পর আরো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমি আশাবাদী, প্রধান দুই দলের মধ্যে সংলাপ হবে এবং এর মধ্য দিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে।’     

-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চীনে ‘মহাপাপ’ বলতে কি বোঝায়?

চীনে ‘মহাপাপ’ বলতে কি বোঝায়?

চীনের উভয়সংকট হলো অর্থনীতির উদারীকরণের সঙ্গে নব্য মাওপন্থি রাজনীতির গাঁটছড়া৷ অর্থনীতির স্বাধীনতা যা-তে মাত্রাধিক না হয়ে পড়ে, সেটা দেখতে সাতটি মহাপাপের একটি ফিরিস্তি করা হয়েছে৷
চৈনিক রাজনীতির এক আমলের উঠতি তারকা বো শিলাই-এর বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে৷ বিগত কয়েক দশকের বৃহত্তম রাজনৈতিক কেলেঙ্কারির উপর যবনিকা টেনে দেওয়াই ছিল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির উদ্দেশ্য৷ বো শিলাই-এর সঙ্গে সঙ্গে তথাকথিত ‘‘নব্য বামপন্থিদের'' সব আশা-আকাঙ্খা-উচ্চাশাও লৌহকপাটের অন্তরালে অন্তর্হিত হলো৷
কিন্তু বো শিলাই যে নব্য মাওপন্থি রাজনীতির সূচনা করেছিলেন, তা কিন্তু বেঁচে আছে৷ সেই রাজনীতিকে যিনি বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং আরো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তিনি আর কেউ নন – বো শিলাই-এর রাজনৈতিক বৈরি, চীনের নতুন রাষ্ট্র – তথা সরকারপ্রধান শি চিনপিং৷ এই নীতিতে যার স্বত্বাধিকার, সেই বো সিলাই কিন্তু আদালতের কাঠগড়ায়৷
মাও সেতুং
নয়া মাওবাদ?
চায়না ওয়াচাররা বেশ কিছুদিন ধরেই খেয়াল করছেন, নতুন চীনা নেতৃত্ব কিভাবে মাওপন্থি বাগাড়ম্বরের দিকে ঝুঁকছেন৷ গত নভেম্বরে পার্টিপ্রধান নির্বাচিত হবার পর শি চিনপিং যে রক্ষণশীল পন্থা নিয়েছেন, তাকে নির্দ্বিধায় মাওপন্থি বলে বর্ণনা করা চলে, বলে শি চিনপিং-এর একটি সাম্প্রতিক জীবনীর রচয়িতা, হংকং-এর সাংবাদিক উইলি ল্যাম-এর অভিমত৷
১৯৭৬ সালে মাও সে তুং-এর মৃত্যু যাবৎ চীনের আর কোনো রাষ্ট্রপ্রধান মাও-এর উত্তরাধিকারকে এভাবে তাঁর রাজনীতির নিশান করেননি৷ শি চিনপিং মাও-এর স্মৃতিসৌধগুলো পরিদর্শন করেছেন৷ মাও-এর ভুল-ভ্রান্তির ঐতিহাসিক নব-মূল্যায়নের বিরোধিতা করেছেন৷ গত জুন মাসে শি-র সূচিত একটি সুবৃহৎ ‘‘সংশোধনী অভিযানে'' পার্টিকে গোটা এক বছর ধরে তার ‘‘বিলাসিতা'' ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করা হবে – এ-ও চীনের ‘‘মহান চেয়ারম্যানের'' অনুকরণে৷
শি চিনপিং
যুগপৎ নয়া পার্টি নেতৃত্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ ও গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করেছে, বলে উইলি ল্যাম-এর ধারণা৷ ল্যাম এখানে তথাকথিত ‘‘ন'নম্বর দলিল''-এর কথা উল্লেখ করলেন, যে পেপারটি সারা দেশে পার্টি ক্যাডারদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে এবং যে পেপারে রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক মতাদর্শের সাতটি বৃহত্তম বিপদের কথা বলা হয়েছে৷ নয় নম্বর দলিল অনুযায়ী গণমাধ্যমে কিংবা স্কুল-কলেজে যে সব বিষয় নিয়ে উচ্চবাচ্য করা চলবে না, তার মধ্যে পড়বে: সার্বজনীন মূল্যবোধ, সুশীল সমাজ, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা কিংবা অতীতে কমিউনিস্ট পার্টির ভুল-ভ্রান্তি৷
রাজনীতির চাল?
জার্মানির ট্রিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন বিশেষজ্ঞ সেবাস্টিয়ান হাইলমান এই নতুন মাও-উদ্দীপনাকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চাল বলে মনে করেন: ‘‘রাজনৈতিক নেতৃত্ব সমাজের বামঘেঁষা অংশটির সমর্থন সংগ্রহ করতে চান৷'' এবং তা-তে ভুল কিছু নেই, কেননা একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দক্ষিণের স্বচ্ছল গুয়াংডং প্রদেশেও জনগণের ৩৮ শতাংশ বামপন্থি নীতি পছন্দ করে৷ এছাড়া মাও সংক্রান্ত নস্টালজিয়া তো আছেই৷
আদালতে বো শিলাই
তবে চীনা নেতৃত্বের হালের মাও-আনুগত্য শুধু লোক-দেখানো নয়৷ শি চিনপিং-এর সরকার বহু ভিন্নমতাবলম্বীদের জেলে পুরেছেন৷ যেমন তথাকথিত ‘‘সংবিধানবাদ''-এর অনেক নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ এই ‘‘সংবিধানবাদিদের'' দোষ বলতে তারা দাবি করেছিলেন যে, সরকার ও প্রশাসনকে দেশের সংবিধানে নির্দিষ্ট আঙ্গিক মেনে চলতে হবে৷
যে সব নাগরিক অধিকার আন্দোলনকারী দাবি করেছিলেন যে, পার্টি কর্মকর্তাদের তাঁদের সম্পত্তির খতিয়ান দিতে হবে, তাঁদেরও ভাগ্যে ঐ একই সাজা জুটেছে৷ ওদিকে শি চিনপিং দুর্নীতিদমনকে তাঁর কর্মসূচির একট মূল অঙ্গ বলে ঘোষণা করেছেন৷ কিন্তু সে কাজে তাঁর সহায় হবে পার্টি ক্যাডার – যার ফলে কমিউনিস্ট পার্টি সেই চিরাচরিত হেঁয়ালির মুখে পড়েছে: পার্টি নিজেই নিজের নিয়ন্ত্রক হয় কি করে?
‘‘ডাবল গেম''
অক্টোবরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্লেনারি মিটিং৷ তা-তে সম্ভবত নতুন সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের পরিকল্পনা পেশ করা হবে৷ এক্ষেত্রে স্বদেশে চাহিদা বাড়ানোর উপরেই জোর দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ এছাড়া শিল্পসংস্থাগুলিকে আরো স্বাধীনতা দেওয়া হবে, যাতে প্রবৃদ্ধি অটুট থাকে৷ এ সবকে ঠিক বামপন্থি রাজনীতি বলা চলে না৷ হাইলমান এটাকে বলেন ‘‘ডাবল গেম''৷ একদিকে অর্থনৈতিক সংস্কার, অন্যদিকে পার্টির হাত শক্ত করা৷ চীনে অর্থনীতি আর রাজনীতির যে ডাবল গেম দেং জিয়াও পিং-এর আমল থেকে চলেছে – যোগ করেন ল্যাম৷

AD BANNAR