Monday, 21 October 2013

France summons US ambassador over NSA allegations

France summons US ambassador over NSA allegations

France's foreign ministry has summoned the US ambassador following allegations of NSA-spying on French citizens. Meanwhile, Mexico's government has condemned a separate report alleging US-snooping on its government.
The US ambassador was scheduled to attend an emergency meeting over US-spying on Monday morning at France's foreign ministry in Paris, according to French Foreign Minister Laurent Fabius. The meeting was prompted by an article published by the French daily Le Monde alleging that the US National Security Agency had listened in on millions of French phone calls.
"I have immediately summoned the US ambassador," Fabius told reporters in Luxembourg, where he was attending an EU foreign ministers summit.
There was no immediate response from Washington regarding the article or the French government's outrage over the claims.
According to Le Monde's online article published Monday, the NSA gathered 70.3 million French phone records between December 10, 2012 and January 8 of this year. The article cited documents obtained from former NSA contractor Edward Snowden and was co-written by Guardian journalist Glenn Greenwald, who originally broke the NSA story.
Mexico condemns NSA spying
The Mexican Foreign Ministry also demanded answers from Washington after the publication of a separate article alleging NSA-snooping on Mexico on Sunday. The latest revelations stemmed from an article published by the German newsmagazine Der Spiegel which said the US surveillance program had been spying on Mexico for years.
"This practice is unacceptable, illegitimate and contrary to Mexican law and international law," a statement issued by the Mexican Foreign Ministry said.
"The Mexican government reiterates its categorical condemnation of the violation of privacy of institutional communications and Mexican citizens," it added.
The Spiegel article said the NSA had hacked into the email of President Felipe Calderon in 2010, citing documents obtained from Edward Snowden.
The revelations of US espionage has angered allied countries. Last month, Brazilian President Dilma Rousseff cancelled a meeting with President Barack Obama in Washington in protest of alleged surveillance on Brazilian citizens and companies.
Last week, Deutsche Telekom announced a plan to shield domestic Internet traffic from foreign spying. The telecommunications giant aims to strengthen data privacy in Germany by preventing it from leaving its borders and opting instead to channel it through domestic servers only.
kms/ccp (AP, AFP, Reuters)

নির্বাচন সম্পর্কে অবস্থান জানাবে বিএনপি

নির্বাচন সম্পর্কে অবস্থান জানাবে বিএনপি

DW.DE

শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয় বাংলাদেশের রাজনীতি, তা সোমবার বিকেল নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যাবে৷ সংঘাত-সংঘর্ষ, না সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন তা অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে৷ এখন শুধু প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের অপেক্ষা৷
বাংলাদেশের গত ৫ বছরের রাজনীতিতে রবিবার ছিল একটি ঘটনাবহুল দিন৷ সকাল থেকেই টান টান উত্তেজনা৷ আর এই উত্তেজনা চলেছে থাকে গভীর রাত পর্যন্ত৷ গভীর রাতেই জানা গেল, সোমবার বিকলে প্রধান বিরোধী দল সংবাদ সম্মেলনে আগামী নির্বাচন নিয়ে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করবে৷ জানা গেছে, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নতুন প্রস্তাব দেবে বিএনপি৷
সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের প্রথম দিন রবিবার বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুলিশ নিয়ন্ত্রিত পেশাজীবী সমাবেশে সাফ বলে দেন, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশ নেবেন না৷ নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানকে হতে হবে নির্দলীয় আর নিরপেক্ষ৷
রাতে গণভবনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ দলীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে৷ বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রধান হবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ সংবিধান অনুযায়ী এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই৷ আর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেবে৷
জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার জানান, তাঁরা নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন৷ আপাতত মহাজোটের সঙ্গে থেকেই নির্বাচনের কথা আছে৷ আর পরিস্থিতি অন্যরকম হলে জাতীয় পার্টি আলাদাভাবেও নির্বাচন করতে পারে৷
খালেদা জিয়া বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশ নেবেন না
অন্যদিকে রবিবার রাতে বিএনপি'র নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট নেতাদেরও বৈঠক হয়েছে৷ সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারে পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন তারা৷ বৈঠকে তারা ২৫শে অক্টোবরের সমাবেশ যে কোনো মূল্যে সফল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ তারা সভা সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা মানবেন না৷ বৈঠক শেষে জানানো হয়, ২৫শে অক্টোবরের সমাবেশ বাধা দেয়া হলে লাগাতার হরতাল-অবরোধ কর্মসূচী দিয়ে সবকিছু অচল করে দেয়া হবে৷ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা সব কিছু পরিষ্কার করবেন৷ এর আগে শনিবার রাতে বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত হয়েছে৷ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব দেন৷
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এইচ এম এরশাদের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন৷ বিএনপিসহ যারা আসবেন না, তাদের বাদ দিয়েই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাবে সরকার৷
এইসব নিয়ে এখন চরম উত্তেজনা এবং আলোচনা৷ সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন৷ জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদ জানিপপ-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে সমঝোতার আর কোনো পথ দেখা যাচ্ছেনা৷ বিরোধী দল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মানবে না৷ আর সরকারী দল আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনাকেই প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করবে৷ তার মানে হলো দুই দলের অবস্থান দুই মেরুতেই আছে৷ সমঝোতার কোনো পথ এখনো নেই৷ আছে সংঘাত আর সংঘর্ষের আশঙ্কা৷ এখন চূড়ান্ত এই সংকটে শক্তি প্রদর্শনের মহড়া হবে৷ তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গণতন্ত্র৷''


বিএনপি না এলেও নির্বাচনে যাবে জাপা

বিএনপি না এলেও নির্বাচনে যাবে জাপা

@prothom-alo
Ashraful-Final1আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ২০১৪ সালে মধ্য জানুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার পাবে দেশ। বিরোধী দল বিএনপির ওপর নির্ভর করছে জাতীয় পার্টি মহাজোট থাকবে কি থাকবে না। কারণ বিএনপি নির্বাচনে না এলে জাতীয় পার্টি মহাজোট থেকে বেরিয়ে বিরোধী দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবে। আজ রোববার রাতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
এর আগে সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন আশরাফ।
সৈয়দ আশরাফ আরও বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হবেন শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য কিছু হতে পারে। এটা সস্পূর্ণ নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ওপর। সৈয়দ আশরাফ আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেবে। যদি তারা নির্বাচনে না আসেন তাহলে জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়েই নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠন করা হবে। নির্বাচনে যাবে জাতীয় পার্টি।
এদিকে এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে মন্ত্রীসভা কিভাবে হবে সে বিষয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচনকালীন মন্ত্রীসভায় আপনারা কোনো সাংসদের নাম দিয়েছেন কি-না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রহুল আমিন হাওলাদার বলেন, বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।দলে আলোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জাতীয় পার্টি একা নির্বাচনে অংশ নেবে কী না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, আমরা আগেই বলেছি, আমরা মহাজোটে থেকেই অথবা মহাজোটের বাইরে থেকে একা নির্বাচন করব।তবে পরিস্থিতি বলে দেবে আমরা একা নির্বাচন করব কি-না।আজকের প্রেক্ষাপটে আমরা একা নির্বাচন করার বিষয়ে আলোচনা করেছি।
গত শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়ে তাতে বিরোধী দলের সদস্যদের নাম আহ্বান করেন। পরদিন এক প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সর্বদলীয় সরকার গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব ‘স্পষ্ট’ হয়নি। এরপর আজ সন্ধ্যায় গণভবনে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
 বৈঠকে এরশাদের সঙ্গে ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর আহমেদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, জি এম কাদের, কাজী ফিরোজ রশীদসহ প্রমুখ নেতা।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

AD BANNAR