Monday, 21 October 2013

বিশ্বে ৯১৮টি হ্যাকার টিমে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ!

বিশ্বে ৯১৮টি হ্যাকার টিমে সবার শীর্ষে বাংলাদেশ!


বিশ্ব হ্যাকারদের হ্যাকিং সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করা "হ্যাক মিরর" সাইটের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী সারা পৃথিবীর ৯১৮টি হ্যাকার টিমের মধ্যে সবার শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস। একই সাথে এই হ্যাকার টিমটি জোন-এইচে পৃথিবীর সেরা ৫০টি টিমের মধ্যে ৩২তম স্থানে উঠে এসেছে। বাংলাদেশের হ্যাকার টিমের মধ্যে দলগতভাবে এ কৃতিত্ব অর্জনের ঘটনা এবারই প্রথম।

বাংলাদেশ শীর্ষ স্থানে উঠে আসার আগে ইন্দোনেশিয়ান, ইরান, তুরস্কের হ্যাকাররা এগিয়ে ছিল। ইন্দোনেশিয়া ছিল প্রথম স্থানে।
তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সাইবার যুদ্ধে বাংলাদেশের হ্যাকাররা ইন্দোনেশিয়ায় ব্যাপক হামলা চালালে তারা অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে।
এবং সাইবার যুদ্ধ চলাকালীন সে দেশের সরকারি উদ্যোগে ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে পিছু হটে ইন্দোনেশিয়ান হ্যাকাররা। এমন নানান সাফল্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের হ্যাকার টিম এখন বিশ্বের এক নম্বর অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে।
এদিকে এই হ্যাকার টিমটি সম্প্রতি জোন-এইচে পৃথিবীর সেরা ৫০টি হ্যাকার টিমের মধ্যে ৩২ নম্বর স্থানে জায়গা করে নিয়েছে।
মাত্র দুই বছরের একটু বেশি সময় ধরে হ্যাকিং নিয়ে কাজ করে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস এই শীর্ষ স্থানে চলে আসলো।
তবে এককভাবে জোন-এইচে বাংলাদেশের আরেক সেরা হ্যাকার টাইগার ম্যাট এই মুহূর্তে ২০ নম্বর স্থানে অবস্থান করছেন। তিনি এর আগে ৭ম স্থানে ছিলেন। মূলত অনিয়মিত হ্যাকিং এর কারণে তিনি ক্রমশ নিচের দিকে চলে আসছেন।
জানা গেছে, ২০১২ সালের ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় হ্যাক মিরর এবং ২০০২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় জোন-এইচ। তুলনামূলক পুরনো সময়ের হ্যাকারদের একক রাজত্বকালে গত ১১ বছর ধরে কিছু হ্যাকার টিম শীর্ষ স্থানে ছিল।
তবে এখন হ্যাকারদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতা করার ফলে ক্রমশ এই তালিকা থেকে কিছু টিম পিছে চলে যাচ্ছে। আর কিছু টিম দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সেই তালিকায় বাংলাদেশেরও একটি টিম এগিয়ে চলেছে (বর্তমানে ৩২ তম)।

আর ঠিক কত দিনে জোন-এইচে পৃথিবীর সেরা হ্যাকারদের সরিয়ে প্রথম স্থানে আসা সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারসের এডমিন রোটেটিং রটোর এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা এখন যে গতিতে এগুচ্ছি তা নিয়মিত করতে পারলে আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে আমরাই হবো পৃথিবীর সেরা এবং শক্তিশালী হ্যাকার টিম।
বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারসের এডমিন রোটেটিং রটোর বলেন, র‍্যাংকিং এ আমরা এগিয়ে থাকার ফলে সারা বিশ্বের হ্যাকারদের চেয়ে আমাদের হ্যাকাররা যে অনেক দক্ষ তাই প্রমাণিত হলো।
যেখানে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হ্যাকাররা কাজ করেও কোন অবস্থানেই নেই সেখানে আমরা কোন সাহায্য না পাওয়া সত্ত্বেও ১ নম্বরে আমাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছি। এর ফলে আমাদের দেশের সাইবার স্পেসের উপর হ্যাকারদের হামলা অনেক কমে যাবে।
যদিও বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারসের প্রক্সি টিম বিশ্বের অনেক দেশেই আছে। যাদের কাজ হলো বাংলাদেশের সাইবার স্পেসে হামলা হলেই তাদের উপরে পাল্টা হামলা চালানো।
জানা গেছে, বিশ্বে হ্যাকারদের সাথে বিভিন্ন দেশের সরকারের অনেক ভূমিকা থাকে। দেশের উন্নয়নে তারা সরকারের সাথে এক যোগে কাজ করে। সরকার নানানভাবে তাদের সহায়তা করে থাকে।
সম্প্রতি রাশিয়া, ইরান, সিরিয়া, আমেরিকা, চীন, যুক্তরাজ্য, কোরিয়ার মতো দেশ এই নিয়ে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সরকারিভাবে খুব বেশি সহায়তা পায় না এ দেশের হ্যাকাররা।
এ প্রসঙ্গে রোটেটিং রটোর বলেন, প্রথমে এটা মনে রাখতে হবে একজন হ্যাকার কখনই খারাপ না। খারাপ হল ক্র্যাকার। হ্যাকিং করা এক প্রকার দুঃসাধ্য কাজ বটে। প্রযুক্তির ব্যাপারে তুখোড় জ্ঞান না থাকলে কখনোই হ্যাকার হওয়া সম্ভব না।
আপনারা দেখেন, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে পরবর্তী যুদ্ধগুলো পরিচালনা করার জন্য সাইবার সৈন্য হিসেবে হ্যাকারদের মিলিটারিতে অন্তর্ভুক্ত করছে। ব্রিটেনে এই প্রক্রিয়া রীতিমতো ঘোষণা দিয়ে শুরু করেছে।

রাশিয়া, চীন, ইরান, আমেরিকাতে সরকারের সাথে হ্যাকাররা কাজ করে গোয়েন্দা হিসেবে। এছাড়াও, অনেক দেশে গোপনে সরকারের সাথে হ্যাকাররা কাজ করছে, অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরকারের গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।
রটোর তাদের হ্যাকিং নিয়ে সাফল্যের গল্প সম্পর্কে বলেন, আমাদের অনেক সাফল্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কোন বাংলাদেশী সাইট হ্যাক হলে তৎক্ষণাৎ রিষ্টোর করে দেওয়া,
বাংলাদেশ পুলিশের জন্য লাইব্রেরী ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বানানো এবং শ্রীলংকার সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে তাদের দেশের সকল সরকারি ওয়েবসাইট সিকিউর করা। ভবিষ্যতে আশা করছি আমাদের মাধ্যমে সাইবার স্পেস অনেক সুরক্ষিত থাকবে।
উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস টিমে ৩০ জন ক্রু কাজ করছেন। তাদের মধ্যে প্রথম সারিতে অবস্থান করছেন মূর্খ মানব, ইনাম, আশিক ইকবাল, শাহজাহান এবং হিমেল।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী হ্যাক মিররে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস হোম ডিফেস দিয়েছে ৮৮৩৪টি, স্পেশাল ডিফেস বা সরকারি সাইট হ্যাক করেছে ৯৬০টি, ইউনিক আইপি বা সার্ভার হ্যাক করেছে ৩২৬৪টি এবং সব মিলে ডিফেস দিয়েছে ২৩১৩১টি।
এছাড়া জোন-এইচের তথ্যানুযায়ী সেখানে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস সিঙ্গেল ডিফেস বা সার্ভার হ্যাক করেছে ৫৪৮৩টি, মাস ডিফেস বা ২৪ ঘণ্টায় হ্যাক করেছে ৩৪৪১৪টি, হোম পেজ ডিফেস দিয়েছে ১৮৪৫৩টি, সাব-ডোমেইন ডিফেস দিয়েছে ২১৪৪৪টি এবং সব মিলে ডিফেস দিয়েছে ৩৯৮৯৭টি।
প্রসঙ্গত, হ্যাক মিরর এবং জোন-এইচ মূলত বিশ্ব হ্যাকাররা কে, কয়টি, কীভাবে সাইট হ্যাক করেছে তা মিরর করে। হ্যাকাররা তাদের শ্রেষ্ঠত্ব এখানেই প্রমাণ করে থাকে।

Sunday, 20 October 2013

উত্তরায় ফেসবুকে পুলিশি সেবা! শিগগিরই চালু হচ্ছে ডিএমপিতেও

উত্তরায় ফেসবুকে
পুলিশি সেবা!
শিগগিরই চালু হচ্ছে ডিএমপিতেও
জয়দেব দাশ
রাজধানীতে এখন পুলিশি সেবা ও সহায়তা পাওয়া যাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও। গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা জোনের 'সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল) উত্তরা' নামে একটি ফেসবুক পাতার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ডিজিটাল এ কার্যক্রম। পর্যায়ক্রমে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্য জোনেও এ সেবা চালু করা হবে বলে সমকালকে জানিয়েছেন ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান।
সংশিল্গষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৮ সেপ্টেম্বর উত্তরা জোনের খোলা ওই ফেসবুক পাতাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। পুলিশের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান দেশি ও প্রবাসী বাঙালিরা। গতকাল সন্ধ্যায় পাতাটিতে ১৫ হাজার ৯৩৬টি লাইক দেখা গেছে। এ দিকে এ সম্পর্কিত একটি মোবাইল অ্যাপিল্গকেশনের কাজও শুরু করছে ডিএমপি। এর মাধ্যমে সমগ্র ঢাকা অঞ্চলের ৮টি ক্রাইম জোন এবং ৪৯টি থানাকে একত্রিত করে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে এ সংশিল্গষ্ট একটি স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) বানানোর কাজ শুরু হয়েছে। অ্যাপটি চালু হলে ঢাকা শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ অফিসারের সরকারি নম্বর এক ক্লিকেই পাওয়া যাবে, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার যে কোনো প্রান্তে দাঁড়িয়ে নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনের অবস্থান গুগল ম্যাপে দেওয়া যাবে, ভিকটিমের অবস্থান থেকে সবচেয়ে কাছের পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার সহজ রাস্তাটিও এ নতুন অ্যাপ দেখিয়ে দেবে। এ ছাড়া উত্তরা জোনের পুলিশ অ্যাপে এখন যেসব সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর সবই পাওয়া যাবে নতুন এই অ্যাপটিতেও।
উত্তরা এলাকার জন্য চালু হওয়া ওই অ্যাপে এখন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশি নম্বর, গুগল ম্যাপে উত্তরার ছয়টি থানার (উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, তুরাগ, এয়ারপোর্ট, উত্তরখান, দক্ষিণখান) অবস্থান, সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর ডিউটি অফিসার এবং ওসির নম্বরটি, ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিরাপত্তা চাওয়াসহ যাবতীয় সহায়তা চাওয়ার নম্বরসহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশের কোনো সদস্যের কাছ থেকে দুর্ব্যবহার পেলে তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানোরও ব্যবস্থা থাকছে অ্যাপটিতে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী তারিক মাহমুদ ও মনসুর হোসেন তন্ময় বিনামূল্যে পুলিশের জন্য ওই অ্যাপ তৈরির কাজ করছেন।
ডিএমপি পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদের অনুমতিক্রমেই ফেসবুক পাতাটি চালু করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের এমন সেবামূলক কার্যক্রমের উদ্যোক্তা ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মাসরুফ হোসেন বলেন, তার স্বপ্ন একদিন এ সেবা দেশের প্রতিটি থানায় পেঁৗছে যাবে।

3 Reasons to Buy and Sell Penny Stocks


3 Reasons to Buy and Sell Penny Stocks

3 Reasons to Buy and Sell Penny Stocks

How many times have you kicked yourself for not investing in some of today's leading stocks back when they were actually affordable?
The majority of Americans find it nearly impossible to buy stock in their favorite companies because they're simply too expensive. For instance, Google is now available for $780 per share and Apple at $422 per share.
And then there is the fear that many of the leading stocks are inflated and poised to fall. Paul Sommerville, financial advisor and contributor to the Independent, warns "the next few years will be characterized by gut-wrenching sell-offs."
This leaves small investors looking for fresh investments that have the power to reap major rewards in the near future. And that's where penny stocks come in— offering you the opportunity to get in on the ground floor.
How It Works
When smaller companies go public and make their stocks available for less than a dollar per share, their shares are called "penny stocks."  Small investors can easily and affordably purchase them. Regulated by the SEC and other official authorities, they are traded in "over-the-counter" markets rather than the NYSE.
There are a number of reasons to consider purchasing penny stocks, but here are the three most compelling:
1. Small Investment for Many Shares
With penny stocks, you have the power to purchase thousands of stock shares for a rather small investment. For example, if a technology company is selling shares at 10 cents and you make $500 investment, you can own 5,000 shares. If the stock rises to just $1.00, your investment will turn into $5,000.
This gives you the opportunity to purchase stakes in several companies at a time (with potential for major gains), rather than investing in one or two overpriced NYSE stocks that may earn you a couple dollars here and there.
2. Huge Returns in a Short Amount of Time
With some help on the research side, you can discover penny stocks ready to explode overnight. Unlike most stocks on the NYSE that can take years to grow, it is common for penny stocks to double and even triple in a single day.
3. Easy to Buy and Sell
Penny stocks are traded exactly like major stocks. All you need is to establish an online trading account to buy and sell, or you can use a traditional broker to place your trades.
A Powerful Trick of the Trade
As you're probably aware, any stock has a certain degree of risk that comes along with it. This is why it's essential for you to do your homework and carefully research each penny stock you purchase.
One of the very best tools on the market for researching and tracking penny stocks is 900PercentStocks.com. The site tracks the market daily, identifies high potential companies, and offers regular hot picks with their really useful email newsletter.
One of the biggest selling points of 900 Percent Stocks is that the service is completely free. To subscribe, all you have to do is enter your e-mail address, and you will never be asked to pay.
Once you dive in and learn more about penny stocks, you will be amazed at the numerous opportunities available. The secret to your success is the perfect combination of research and education. The more you know, the more likely you will reap amazing rewards!

AD BANNAR