Sunday, 20 October 2013

German Greens elect Peter as female co-leader

German Greens elect Peter as female co-leader

 DW.DE
Germany’s Greens have elected Simone Peter as one of their new party leaders. The former environment minister for the state of Saarland takes over at the helm from Claudia Roth.
The Green party chose the 47-year-old Peter as a successor to Claudia Roth, with 564 of the 743 delegates at a party conference in Berlin voting in her favor.
Speaking before delegates, Peter promised to stengthen the party's profile and "win back lost trust."
"Self-assured, independent and without blinkers - that is where I would like to lead this party together with you," Peter said.
There was some opposition, with 11 percent voting against Peter's taking over from Roth, and 13 percent abstaining.
Earlier the Greens had said an emotional farewell to Roth as the party leader. She announced that she would not seek re-election to the co-leadership of the party after the Greens' poor showing in Germany's federal elections.
The joint leadership is a two-year mandate and always held by a man and a woman.
Pragmatist stays at top
The party's other co-leader, Cem Özdemir, was re-elected on Saturday. His challenger for the position, Thomas Austermann, had always been given little chance of winning by analysts. Özdemir - who comes from the party's "realo" or more pragmatic wing - secured the leadership role last year with a healthy 83.3 percent of the votes.
Özdemir won with 542 of the 759 votes cast.
On Wednesday, the Greens broke off coalition negotiations with Chancellor Angela Merkel's Christian Democrats (CDU) and their Bavarian sister party, the Christian Social Union (CSU).
The CDU and CSU won a resounding victory in the national elections, garnering 41.5 percent of the vote. The opposition Social Democrats rose from the 2008 elections, winning 25.7 percent.
The Greens, meanwhile, fell from the last federal election, dropping from 10.7 percent to 8.4. The loss placed them slightly behind the Left party, prompting a full-scale reshuffle of the leadership, with 22 politicians resigning.
A contentious tax proposal - a 49 percent levy on people earning at least 80,000 euros ($109,500) a year - was blamed for the loss of support. A further controversy, linking former party members to calls in the 1980s for some sexual acts between adults and children not to be treated as a criminal offense, also marred their image.
rc/mkg (dpa/AFP, Reuters)

সবচেয়ে কমবয়সি নারীর বুকার জয়

সবচেয়ে কমবয়সি নারীর বুকার জয়

এবার ম্যান বুকার পুরস্কার জিতেছেন নিউজিল্যান্ডের লেখিকা ইলেনর ক্যাটটন৷ এ যাবতকালের সবচেয়ে কম বয়সি লেখক হিসেবে বুকার পাওয়ার রেকর্ডটিও তার৷ ফিকশনধর্মী উপন্যাস ‘দ্য লুমিনারিস'-এর জন্য এ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি৷
দ্য লুমিনারিস উপন্যাসটি শুরু হয়েছে ১৮শ শতকের মাঝামাঝির ঘটনা দিয়ে৷ ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় নিউজিল্যান্ডের স্বর্ণখনিতে আসেন ওয়াল্টার মুডি৷ এরপর জড়িয়ে পড়েন রহস্যে৷
সম্মানজনক ও এই ব্রিটিশ সাহিত্য পুরস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ক্যাটটন৷ পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই পুরস্কার পেয়ে তিনি এজন্য সম্মানিত ও গর্ববোধ করছেন, কারণ এখানে কারো অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করা হয়নি৷
বিচারকদের সভাপতি রবার্ট ম্যাকফারলেন ৮৩২ পৃষ্ঠার এই বইয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, এত পৃষ্ঠার কোনো বই আজ পর্যন্ত বুকার জেতেনি৷ এটিকে অসাধারণ উপন্যাস হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি৷ বলেছেন, উপন্যাসের কাঠামো এবং গল্প বলার ভঙ্গি চমৎকার৷ প্রতিটি বাক্যেই লেখকের পরিপক্কতা স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে বলে জানিয়েছেন তিনি৷ বলেছেন, এই উপন্যাসের জ্ঞান ও গভীরতা যে কাউকে মুগ্ধ করবে৷
  • Impressionen von der Frankfurter Buchmesse 2013
Copyritght: DW, Jochen Kürten

    ফ্রাংকফুর্টের ৬৫তম বইমেলা

    বই পড়ার নেশায় ডুবে আছে ফ্রাংকফুর্ট

    কয়েকদিন থেকে আবারো বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলার শহর ফ্রাংকফুর্ট বিশাল মঞ্চে পরিণত হয়েছে৷ আগামী রবিবার পর্যন্ত মেলার হলগুলোতে বইমেলার আয়োজক, উদ্যোক্তা আর বইপ্রেমীদের ভিড়ের বন্যা বইছে৷ এমনকি মূল মেলার বাইরে এবং হলের মাঝামাঝি জায়গাগুলোতে কথাবার্তা হচ্ছে আয়োজক এবং পাঠকদের৷ বইয়ের ব্যবসার দরকারি কথাবার্তা চলছে হলের ভেতর আর বাইরে আয়েশ করে বইপ্রেমীরা পছন্দের বই পড়ছেন৷
মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের গিল্ডহলে মাত্র ২৮ বছর বয়সি ক্যাটটনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডাচেস অফ কর্নওয়েল ক্যামিলা পার্কার৷ পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার পাউন্ড৷ ২৫ বছর বয়সে উপন্যাসটি লেখা শুরু করেন ক্যাটটন৷ ২৭ বছর বয়সে শেষ হয় লেখা৷
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জনকে ক্যাটটনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, এর মাধ্যমে বিশ্বদরবারে নিউজিল্যান্ডকে আরো উঁচুতে তুলে ধরা হলো৷
নিউজিল্যান্ডের বই বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী লিংকন গোল্ড এএফপিকে বলেছেন, পুরস্কার জেতার কয়েক ঘণ্টা পর লুমিনারিস উপন্যাসটির বিক্রি হু হু করে বেড়ে গেছে৷
এ বছর দেয়া হল ৪৫তম বুকার৷ এতদিন কমনওয়েল্থের সদস্য দেশ এবং সাবেক সদস্য জিম্বাবোয়ে এবং আয়াল্যান্ডের লেখকরাই এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হতেন৷ তবে আগামী বছর থেকে এই বিধিনিষেধ উঠে যাচ্ছে৷ তখন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের লেখকরাও এই পুরস্কার পেতে পারবেন৷ তবে লেখাটি হতে হবে ইংরেজি ভাষায়৷
এবার বুকারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন ছয়জন লেখক৷ ক্যাটটন ছাড়া বাকিরা হলেন, ব্রিটিশ লেখক জিম ক্রেস, জিম্বাবোয়ের নোভায়োলেট বুলাওয়াও, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন লেখিকা ঝুম্পা লাহিড়ি, ক্যানাডীয়-মার্কিন ঔপৌন্যাসিক রুথ ওজেকি এবং আয়ারল্যান্ডের কোল্ম তইবিন৷
এর আগে সবচেয়ে কম বয়সি লেখক হিসেবে ১৯৯১ সালে পুরস্কার জিতেছিলেন বেন ওকরি৷ তখন তাঁর বয়স ছিল ৩২ বছর৷
এপিবি/ডিজি (এএফপি)

কে হবেন ‘সর্বদলীয় সরকারের’ প্রধান?

কে হবেন ‘সর্বদলীয় সরকারের’ প্রধান?

আসিফ নজরুল | আপডেট: ০০:৪১, অক্টোবর ২০, ২০১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ @ Prothom-alo
কার্টুন:তলিপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৮ অক্টোবরের ভাষণ শুনে আমাদের শ্রদ্ধেয় কিছু ব্যক্তি খুবই আশাবাদী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। গতকাল প্রথম আলোকে তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বদলীয় সরকার গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, এর চেয়ে উত্তম আর কিছু হতে পারে না। বিরোধী দলের উচিত হবে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাব গ্রহণ করা।’
দেশে যা অবস্থা, তাতে রফিক-উল হকের মতো সবারই আশাবাদী হতে ইচ্ছা করে। কিন্তু তাঁর মতো আশাবাদী হওয়ার সদ্গুণ সবার নিশ্চয়ই নেই। আমি বরং সবিনয়ে বলতে চাই, সবাই আশাবাদী হয়ে উঠলে এবং তা বাস্তবোচিত না হলে তাতে মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারে, ক্ষমতাসীনেরা ভুল বার্তা পেতে পারেন এবং এতে ভারসাম্যমূলক রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা বিলীন হতে পারে। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে ভালো কিছু দিক আছে, কিন্তু এর চেয়ে উত্তম প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ অবশ্যই তাঁর ছিল।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকালে সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, এটি খুব অভিনন্দনযোগ্য। তিনি আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের তারিখ ঠিক করার কথা বলেছেন, এটিও আশাব্যঞ্জক। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে যা জরুরি, তা হচ্ছে নির্বাচনকালীন (সর্বদলীয় বা অন্য যেকোনো) সরকারের প্রধান যিনি হবেন, তাঁর নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা। শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে এই সরকারের প্রধান হিসেবে তাঁর বদলে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ আছে, এমন কোনো ইঙ্গিত প্রদান করেননি। তিনি যদি এ নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে বলতেন বা অদূর ভবিষ্যতেও যদি বলেন, তাহলেই একটি সত্যিকারের সমাধানের পথ প্রশস্ত হবে। তিনি তা কখনো বলেননি। তাঁর সর্বশেষ ভাষণ শুনে বরং মনে হয়েছে, নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি নিজেই বহাল থাকবেন। যদি তা-ই হয়, তাহলে সেই সরকারে বিএনপির মন্ত্রীরা থাকলেও তাঁরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। সর্বদলীয় সরকার গঠনের উদ্দেশ্য যদি হয় নির্বাচনকালে সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, তাহলে শেখ হাসিনা (বা খালেদা জিয়ার) নেতৃত্বাধীন ‘সর্বদলীয় সরকার’ তা করতে পারবে—এই ধারণার তেমন কোনো ভিত্তি নেই।
আমরা এ প্রসঙ্গে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অভিজ্ঞতা স্মরণ করতে পারি। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন একজন অরাজনৈতিক, কিন্তু বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি বিএনপির কথা অনুসারে চলতেন বলে বাকি উপদেষ্টারা নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় হওয়া সত্ত্বেও সেই সরকার নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হচ্ছিল। একপর্যায়ে সেই সরকার ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ একজন ব্যক্তিকে প্রধান করে নির্বাচনকালীন সরকার পুনর্গঠন করতে হয়েছিল। বিএনপিপন্থী ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হয়ে যেমন এককভাবে সরকার চালিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র নেত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনের জন্য সর্বদলীয় সরকারের প্রধান হলে তাঁর পক্ষেও বিএনপির দু-চারজন মন্ত্রীর মতামত উপেক্ষা করে সরকার পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের পক্ষে সংবিধান, রাজনৈতিক দল ও অনুগত মন্ত্রী কিছুই ছিল না। শেখ হাসিনার পক্ষে বর্তমান সংবিধান, আওয়ামী লীগ ও মহাজোট এবং সর্বদলীয় সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী থাকার কারণে আরও বাধাহীনভাবে বিএনপির মন্ত্রীদের উপেক্ষা করা সম্ভব হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে সরকারের সব ক্ষমতার মালিক আসলে প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ভারতের মতো মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুসারে নয়, প্রধানমন্ত্রীর একক পরামর্শ অনুসারে কাজ করতে হয়। অন্য মন্ত্রীদের মন্ত্রিত্ব সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন বলে তাঁরাও প্রধানমন্ত্রীর কথার বাইরে একচুল নড়তে পারেন না। প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেত্রী বলে কার্যত সংসদেরও প্রধান। তিনি একচ্ছত্রভাবে দলীয় প্রধান বলে কে স্পিকার হবেন বা কে রাষ্ট্রপতি হবেন—এগুলোসহ সব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তিনিই কার্যত নির্ধারণ করেন। আবার দলীয়করণ প্রক্রিয়ায় মূলত প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমেই ঠিক হয় জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে কারা আসীন থাকবেন। এমন একটি সরকারকাঠামোতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনকালীন সরকার (তা যদি সর্বদলীয় সরকারও হয়) নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, এটা যে প্রধান বিরোধী দল বিশ্বাস করবে, তা আশা করা বাস্তবোচিত নয়। ১৯৯৬ সালে তখনকার বিরোধী দল আওয়ামী লীগ সে কারণেই প্রস্তাবিত সর্বদলীয় সরকারের প্রধান খালেদা জিয়া হবেন, এটি কিছুতেই মেনে নেয়নি। তখনকার আওয়ামী লীগের অবস্থানকে যে কারণে নাগরিক সমাজ যৌক্তিক মনে করেছিল, একই কারণে এখনো আমাদের বোঝা উচিত, কেন এমন একটি সরকারের প্রধান পদে আওয়ামী লীগের নেত্রীকে বিএনপির পক্ষে মেনে নেওয়া দুষ্কর।
রফিক-উল হক বলেছেন, ‘(সর্বদলীয় সরকারের) মন্ত্রিপরিষদ চাইলে শেখ হাসিনা সরকারপ্রধান থাকবেন, না চাইলে অন্য কেউ থাকবেন। বিষয়টি নিয়ে আর বিতর্ক করার সুযোগ নেই। এতে সমস্যা আরও বাড়বে।’ আমি সবিনয়ে বলছি, এ নিয়ে এখনই আলোচনা ও নিষ্পত্তি না হলেই বরং সমস্যা আরও বাড়বে। সর্বদলীয় সরকার হলে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, অবধারিতভাবে তারা শেখ হাসিনাকেই সরকারপ্রধান হিসেবে চাইবে। সে ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন অধিকাংশ আওয়ামী লীগ সদস্যসংবলিত নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে—এটি বিএনপির জন্য বিশ্বাস করা কি ইতিহাসসম্মত হবে? আর নির্বাচনকালীন সরকারে যদি সরকার ও বিরোধী দলের সমান সদস্য থাকেন, তাহলে তাঁরা কি শেখ হাসিনাকে সেই সরকারের প্রধান না করার ব্যাপারে একমত হবেন? বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে তা আদৌ সম্ভব কি?
আমি রফিক-উল হকের সঙ্গে একমত যে সংঘাত এড়ানোর স্বার্থে বিএনপির উচিত তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকারের দাবি থেকে সরে এসে সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব গ্রহণ করা এবং স্পষ্টভাবে বলা যে এই সরকারের প্রধান হিসেবে একজন গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে মনোনীত করতে হবে। আওয়ামী লীগের উচিত এ লক্ষ্যে অবিলম্বে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া। সংবিধানকাঠামোর মধ্যেই এ প্রশ্নের সুরাহা সম্ভব। সংবিধানের আলোকে সর্বদলীয় সরকারে ফজলে হাসান আবেদ, বিচারপতি মাহমুদূল আমীন চৌধুরী অথবা আকবর আলি খানের মতো এক বা একাধিক নিরপেক্ষ নির্দলীয় ব্যক্তিকে রাখা সম্ভব। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি চাইলে কোনো উপনির্বাচনের মাধ্যমে সেই নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত করে আনাও সম্ভব। সে ক্ষেত্রে তাঁকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করার পথে আর কোনো সাংবিধানিক বাধাও থাকবে না।
নির্দলীয় ব্যক্তি প্রশ্নে সমঝোতা না হলে প্রধান দুই দল সংসদে একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিমকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করা যায় কি না, তা-ও ভেবে দেখতে পারে। সর্বদলীয় সরকারের প্রধান সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলে নির্বাচন নিয়ে অন্যান্য সংকট (যেমন: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচনের সময়, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি ইত্যাদি) দূর করা সহজতর হবে।
আমার মনে হয় না, সর্বদলীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, এই প্রশ্নে দুই দলের সমঝোতা না হলে সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা সম্ভব হবে। এ নিয়ে তাই আলোচনা শুরু করা উচিত এখনই। ২৫ অক্টোবরের পর থেকে দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক সংকটের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে সাংবিধানিক সংকটও শুরু হবে। দুই প্রধান দলের সমঝোতায় পৌঁছাতে যত দেরি হবে, এই সংকট ততই ঘনীভূত হবে।

AD BANNAR