Thursday, 16 April 2020

বিশ্বে করোনা শনাক্ত রোগী ২০ লাখ ছাড়িয়েছে, শেষ ১৩ দিনে শনাক্ত ১০ লাখ

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে শনাক্ত লোকের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়াল। এর মধ্যে প্রথম তিন মাসে হয়েছে ১০ লাখ। আর গত ১৩ দিনে হয়েছে বাকি ১০ লাখ। এ সময়ে গড়ে প্রতিদিন শনাক্ত হয়েছে প্রায় ৭৭ হাজার। ৪ এপ্রিল সর্বোচ্চ এক লাখের বেশি লোকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর সর্বশেষ ১০ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৯৬ হাজারের বেশি। এরপর থেকে গত কয়েক দিন আগের চেয়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা কমেছে।
ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীন থেকে শুরু হলেও জানুয়ারির শেষে নানা দেশে ছড়িয়ে পড়তে থাকে মহামারি করোনাভাইরাস। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। তিন মাসের মাথায় ২ এপ্রিল ১০ লাখ ছাড়ায় করোনা শনাক্ত। এরপর ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে করোনা শনাক্তের সংখ্যা। এ সময় সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে।
আজ বুধবার সাড়ে আটটা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য বলছে, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চলে করোনা সংক্রমিত হয়েছে। এতে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৯৮৪। আর বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭১ জন।

বিশ্বজুড়ে করোনা শনাক্তের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শুরুতে করোনা শনাক্তে চীন এগিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রে চলে আসে ইউরোপ। ইতালি, স্পেন, জার্মানি, যুক্তরাজ্যের মতো দেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে করোনা মোকাবিলায়। তবে এপ্রিলে সব ছাপিয়ে শীর্ষে চলে আসে উত্তর আমেরিকার শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এখন এ দেশটিতেই করোনা শনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে বুধবার পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৬৯৬ জনের। আর দেশটিতে করোনায় প্রাণহানি ২৬ হাজার ছাড়িয়েছে।
জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনা শনাক্ত হওয়া শীর্ষ পাঁচটি দেশ ইউরোপের। এর মধ্যে স্পেনে শনাক্ত ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৩৩ জন ও মৃত্যু ১৮ হাজার ৫৭৯ জন, ইতালিতে শনাক্ত ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮৮ ও মৃত্যু ২১ হাজার ৬৭ জন, জার্মানিতে শনাক্ত ১ লাখ ৩২ হাজার ৩২১ ও মৃত্যু ৩ হাজার ৫০২ জন, ফ্রান্সে শনাক্ত ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৬২ ও মৃত্যু ১৫ হাজার ৭৫০ জন, যুক্তরাজ্যে শনাক্ত ৯৪ হাজার ৮৫২ ও মৃত্যু ১২ হাজার ১৩১ জন।
এর পরের তিনটি দেশ এশিয়ার চীন, ইরান ও তুরস্ক। এর মধ্যে চীনে নতুন শনাক্তের হার এখন অনেক কম। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চীনে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৩ হাজার ৩৫৫ জনের ও মারা গেছে ৩ হাজার ৩৪৬ জন। দেশটিতে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে গেছে ৭৮ হাজারের বেশি করোনা রোগী। আর ইরান ও তুরস্কে এখনো বাড়ছে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত ইরানে শনাক্ত হয়েছে ৭৬ হাজার ৩৮৯ ও মারা গেছে ৪ হাজার ৭৭৭ জন এবং তুরস্কে শনাক্ত ৬৫ হাজার ১১১ ও মারা গেছে ১ হাজার ৪০৩ জন।
সুস্থ হওয়ার সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে চীন। বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ ১ হাজার ২০৬ জন সুস্থ হয়েছে। এর মধ্যে চীনে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৭৮ হাজার ৩০৭ জন। এরপর সবচেয়ে বেশি সুস্থ হয়েছে জার্মানিতে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সেরে উঠেছে ৭২ হাজার ৬০০ জন। আর যুক্তরাষ্ট্রে সুস্থ হয়েছে ৪৯ হাজার ৯৩৩ জন, স্পেনে ৭০ হাজার ৮৫৩ জন, ইতালিতে ৩৭ হাজার ১৩০ জন, ফ্রান্সে ২৯ হাজার ১২১ জন।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্য বলছে, চার দিন ধরে টানা করোনা শনাক্ত বাড়ছে বাংলাদেশে। এ সময়ে পরীক্ষার সংখ্যাও আগের চেয়ে বেড়েছে। বুধবার পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩১ জন। এর মধ্যে আজ সর্বোচ্চ ২১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত দেশে ৫০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর সুস্থ হয়েছে ৪৯ জন।

Monday, 30 March 2020

BD Business Group Beside govt



করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারকে সহযোগিতা
করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে
দিয়েছে বাংলাদেশ আর্মি, বাংলাদেশ নেভি, বাংলাদেশ
এয়ার ফোর্স, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস
অ্যাসোসিয়েশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবি,
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, বসুন্ধরা গ্রুপ,
ওরিয়ন গ্রুপ, নাভানা গ্রুপ, কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স,
আবুল খায়ের গ্রুপ, সামিট পাওয়ার লিমিটেড,
কনফিডেন্স পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, দ্য ওয়েস্টিন
হোটেল, সিএমসি চায়না,লা মেরিডিয়ান, প্রিমিয়ার গ্রুপ,
ওয়ালটন গ্রুপ 

Wednesday, 25 March 2020

বিকল্প জরুরি অবস্থা।। রেল,আকাশ ও নদীপথ বন্ধন।। 26 তারিখ থেকে বন্ধ সড়ক পথ

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ সন্ধ্যার পর থেকে ট্রেন, বিমান ও নৌযান চলাচল বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।রাজধানী ঢাকার সাথে সকল জেলায় চলাচলকারি ট্রেন, বিমান ও নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে । আগামী ২৬ মার্চ থেকে বাস চলাচল বন্ধ হবে । খবর সরকারি বার্তা সংস্থা বাস।
মঙ্গলবার দুপুরে রেলভবনে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘ করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে আজ সন্ধ্যার পর থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় মালবাহী ও তেলবাহী ট্রেন সীমিত পরিসরে চলাচল করবে।’
এদিকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভিডিও বার্তায় গণপরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেন।
বার্তায় তিনি বলেন, দেশের মানুষ, যাত্রীসাধারণ, গাড়ির মালিক শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে গণপরিবহন লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ওষুধ, জরুরি সেবা, জ্বালানি, পচনশীল পণ্য পরিবহনে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। পণ্যবাহী যানবাহনে কোনও যাত্রী পরিবহন করা যাবে না।
এছাড়াও করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মঙ্গলবার থেকে যাত্রীবাহি নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। তবে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করবে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়স্থ অফিস থেকে এক ভিডিও বার্তায় এসব তথ্য জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় লঞ্চসহ যাত্রীবাহি নৌযান চলাচল করবে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কার্গোর মাধ্যমে পরিবহন করা হবে। এ্যাম্বুলেন্স বা প্রয়োজনীয় যান পারাপারের জন্য ফেরি সীমিত আকারে চলাচল করবে। ফেরিতে সাধারণ মানুষ পারাপারের ক্ষেত্রে নিষধাজ্ঞা থাকবে।
এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নভেল করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ ঠেকাতে আজ মধ্যরাত থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানের সব ফ্লাইটও বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক বাসসকে বলেন, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে দেশের সব অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

AD BANNAR